
গৌরীশংঙ্কর মহাপাত্র :দৈনিক আবেশভূমি:মেদিনীপুর পূর্ব পশ্চিম।জ্ঞান ই শক্তি। যে দেশের জ্ঞানের ভান্ডার যত সমৃদ্ধ সে দেশ শিক্ষা গবেষণা ইত্যাদিতে তত শক্তিশালী।যোগদা সৎসঙ্গ পালপাড়া মহাবিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও আই কিউ এ সি এর যৌথ উদ্যোগে এক দিনের জাতীয় আলোচনা চক্রের উদ্বোধন হয় বুধবার। উদ্বোধন করেন সেমিনার সভাপতি কলেজ অধ্যক্ষ ড: প্রদীপ্ত কুমার মিশ্র।সূচক বক্তব্যে সেমিনার কনভেনল কলেজের গ্রন্থাগারিক সত্যব্রত সাহু শিল্প-সঙ্গীত নৃত্য নাটক থেকে শুরু করে গণিত জ্যোতিষবিদ্যা বিজ্ঞান প্রযুক্তি জীবন বিজ্ঞানের মত প্রাচীন ও সমসাময়িক সমৃদ্ধ ভারতীয় জ্ঞানব্যবস্থার গবেষণা, শিক্ষাদান, প্রকাশনা ইত্যাদির নথিপত্র যেগুলি বাংলা ভাষায় লিখিত সেই সকল নথিপত্রের অবদান ভারতীয় জ্ঞান ব্যবস্থায় কতটা রয়েছে সে বিষয়ে আলোকপাত করেন।আলোচনা চক্রের মুখ্য আলোচক বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞানের অধ্যাপক ড: দুর্গাশঙ্কর রথ ন্যাশনাল সেমিনারে ফ্লায়ার উদ্বোধন করেন। কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের বার্ষিক প্রতিবেদন ২১ -২২ প্রকাশ করেন কলেজ অধ্যক্ষ ড : মিশ্র। “হাউ টু ইউজ লাইব্রেরী” বিষয়ক লিফলেট প্রকাশ করে শিক্ষা রত্ন বীরকুমার শী তাঁর বক্তব্যে বিজ্ঞান বিষয়ক নথিপত্র এবং ব্যক্তিবর্গের কার্যকলাপ তুলে ধরেন। আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক বহু গ্ৰন্থ প্রনেতামন্মথনাথ দাস বাংলায় লিখিত বিভিন্ন ঐতিহাসিক নথিপত্র ও ঘটনাবলীর উল্লেখ করেন। মুখ্য বক্তা ডঃ দুর্গাশংকর রথ তাঁর বক্তব্যে জ্ঞানব্যবস্থার ভালো মন্দিরের দিক এবং বাংলা নথিপত্রে এর অবদান সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেন।উদ্বোধন পর্বে উপস্থিত ছিলেন কলেজের দর্শন বিভাগীয় প্রধান ড: মৃণাল কান্তি দে, ভূগোল বিভাগীয় প্রধান ডঃ প্রজ্ঞা ভট্টাচার্য ,আই কিউ এ সি কো অর্ডিনেটর ড: অনিরুদ্ধ সিনহা, গ্রন্থাগারিক আশিস মাইতিসহ বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপক, অধ্যাপিকা ও শিক্ষাকর্মী। প্রায় ১৪০ জন সেমিনারে অংশগ্রহণ করে। পাশ্ববর্তী মুগবেড়িয়া গঙ্গাধর মহাবিদ্যালয় এবং খেজুরি কলেজের গ্রন্থাগারীগণ অংশগ্রহণ করেন। শেষে সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সেমিনার কনভেনার সত্যব্রত সাহু।