রাজকুমার মহাপাত্র: দৈনিক আবেশভূমি: এগরা কাঁথি, মেদিনীপুর পূর্ব পশ্চিম ও ঝাড়গ্রাম।। কাঁথি ভবতারিণী মন্দির সংলগ্ন হারবাল নিউটেশন( ম্যেনি প্রবলেম ওয়ান সলিউশন) সেন্টার ,লাইফ স্টাইল -২তে সংস্থার সদস্য ও সদস্যগণ বুধবার সকালে শরীর চর্চায় এসে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের ১৬৪তম জন্মদিন যথাযথ মর্যাদায় পালন করেন। রবি ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ নিবেদন ও কবির বাল্যজীবন স্মৃতি চারণায় কর্মসূচির সূচনা করেন ফুলেশ্বর দুরমঠ হাই
স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক হিমাংশু ঘোড়াই। শিশু সাহিত্যে, আধুনিক বাংলা কবিতা, গান, নাটক, প্রবন্ধ উপন্যাস রবীন্দ্রনাথের অবদান, সাহিত্যের যুগ নির্ণয়ে, স্বাধীনতা আন্দোলনে, মৃত্যু ও প্রেম চেতনা, শিশু সাহিত্যে কবির অবদান তুলে উপস্থিত সকলকে সমৃদ্ধ করেন এগরা প্রেসক্লাব ও দৈনিক আবেশভূমির সম্পাদক গৌরীশঙ্কর মহাপাত্র। বাংলা সাহিত্যের বিশ্ব কোষ এই রবীন্দ্রনাথও যে শেষ জীবনে সাহিত্যের অপূর্ণতার কথা উল্লেখ করে আধুনিক কবিদের কাছে যা প্রত্যাশা করেছিলেন ঐকতান কবিতায় কবির সে অভিব্যক্তি “বিশালয়া পৃথিবীর কতটুকু জানি”, ও যে আছে মাটির কাছাকাছি, সে কবির বাণীলাগি কান পেতে আছি,” উদ্ধৃতি তুলে স্মৃতি চারণ করেন খাদ্যদপ্তরের প্রাক্তন আধিকারিক বিভূতিভূষণ পাত্র। আবৃত্তি পরিবেশন করেন শিশু সদস্য অঙ্কিত পাল। দেশপ্রেমিক ও দার্শনিক এই কবি বাংলা কাব্য ও ভাষা সাহিত্য সমৃদ্ধিতে,শান্তি নিকেতন স্থাপনসহ নানান সৃষ্টিশীলতায় তার অবদান আলোচনা উঠে আসে পারুলিয়া মডার্ন হাই স্কুলের সহশিক্ষক সঞ্চিত পাল, বিমান চন্দ্র মল্লিক প্রমুখের বক্তব্যে। সংগীত পরিবেশন করেন শিক্ষিকা সনকা পাল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রবীর দাস, দেবযানী দাস, চন্দন মেট্যা, নন্দিতা ঘোড়াই, সেন্টারের কোচ মানসী মাঝি, সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিয়াঙ্কা জানা প্রমূখ। সিস্টেমের দূরদর্শনে সমগ্র অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় সেন্টারের সুপার ওয়েলনেস কোচ প্রাক্তন সেনাকর্মী ভাগ্যধর মাঝি।