
গৌরীশংকর মহাপাত্র, আবেশভূমি ডিজিটাল,এগরা কাঁথি,মেদিনীপুর পূর্ব পশ্চিম ও ঝাড়গ্ৰাম: বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ সভা করলো তৃণমূল। বুধবার এগরা ১ ব্লকের জুমকি পঞ্চায়েত কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ জানিয়েছি ধর্ণা মঞ্চে বসে তৃণমূল নেতৃত্ব। প্রসঙ্গত কয়েকদিন আগে জুমকি গ্রাম পঞ্চায়েতে ৮২৫ টি গাছ কাটার টেন্ডার করে বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত। তৃণমূলের অভিযোগ ৮২৫টি গাছ কাটার টেন্ডার করে প্রায় ৩ হাজারের বেশি গাছ কেটে বিক্রি করে। কোনো ভাবেই সরকারি অনুমোদন না নিয়ে, বন দপ্তরের অনুমতি ছাড়া বহু গাছ কেটে বিক্রি করা হয়েছে। সেই গাছ বিক্রির টাকা পকেটে পুরেছে প্রধান সহ স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁর প্রতিবাদে পঞ্চায়েত কার্যালয়ের সামনে অনির্দিষ্ট কালের জন্য ধর্নায় বসে শাসকদল। এদিন এই ধর্ণা মঞ্চে এগরার বিধায়ক তরুণ কুমার মাইতি, সভাধিপতি উত্তম বারিক, জুমকী পঞ্চায়েতের প্রাক্তন উপ-প্রধান উদয় শঙ্কর সর, জেলা পরিষদ সদস্য শান্তনু নায়ক প্রমুখ উপস্থিত হয়ে বলেন বিজেপি সময়ে তৃণমূল সরকারকে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আক্রমণ করেন। সেখানে বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত অবৈধভাবে ৩ হাজারের বেশি গাছ কেটে সেই টাকা পকেটে পুরেছে। আমরা অবিলম্বে পঞ্চায়েত প্রধানের পদত্যাগ চাই। আমরা সমস্ত সরকারি দপ্তরে পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি।তৃণমূলের পক্ষে দ্রুত তদন্তসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী তোলা হয়। এদিন বন দপ্তরের পক্ষে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছেন। বুধবার ধর্ণা মঞ্চে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা সভাধিপতির কাছে জানতে চান বিজেপির অভিযোগ বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করার উদ্দেশ্যে তৃণমূলের এটা মিথ্যাচার ? এই এই প্রশ্নের উত্তরে সভাধিপতি উত্তম বারিক দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন ” পঞ্চায়েতের পক্ষে প্রশাসনিকভাবে ৮২৫ টি গাছ কাটার অনুমতি পেয়েছিল। স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান আপনাদের প্রতিনিধিদের নিয়ে এলাকা ঘুরিয়ে বলে দিক ৮২৫ এর বেশি গাছ কাটা হয়েছে কি হয়নি? যদি না হয়ে থাকে আমি ধর্ণি মঞ্চ থেকে ঘোষণা করছি পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতির পদ থেকে পদত্যাগ করব। আর প্রধান যদি দেখেন ৮২৫ এর বেশি গাছ কাটা হয়েছে তাহলে তিনি পদত্যাগ করবেন কিনা জিজ্ঞেস করুন।
