রাজকুমার মহাপাত্র ও সঞ্জীব আচার্য, আবেশভূমি ডিজিটাল, মেদিনীপুর পূর্ব পশ্চিম ও ঝাড়গ্ৰাম।সম্প্রতি শেষ হওয়া দ্বাদশবর্ষ এগরা মহকুমা বই মেলা নিয়ে এগরা-১ ও এগরা-২ ব্লকের বিডিও ও সভাপতিদের নিয়ে আলোচনা হয় মঙ্গলবার। আগামী দিনে মেলাকে সর্বাঙ্গ সুন্দর ও গণমুখী করেতে কি কি করণীয় সে নিয়েও কথা হয়।ব্লকের নির্দিষ্ট দিন ও বিশিষ্টজন নিয়ে আলোচনার প্রসংশা করেন সকলে তবে আলোচক ও যাদের উদ্যেশ্যে এই আলোচনা তাদের উপস্থিত নিশ্চিত করা
নিয়ে ব্যবস্থা গ্ৰহনের প্রসঙ্গ ওঠে। স্কুল গুলিকে আন্তরিক ভাবে সংযুক্তির প্রসঙ্গ ও আলোচনায় গুরুত্ব পায়। সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা গুলি আরো ভালো করা নিয়ে বিদ্যালয়ে পরিদর্শক ও তার মত ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি টি এল এম ও যাতে বইমেলায় কেনা যায় তার ব্যবস্থা করতে বলেন। বিগত দিনে কোন কোন শিক্ষক প্রভাব খাটিয়ে টি এল এম প্যাকেজে এমন জিনিস সরবরাহ করেছেন তা না করলে ভালো হোত বলে মন্তব্য করেন বিদ্যালয় পরিদর্শক। পাশাপাশি বইমেলার কেনাকাটা বাড়ানোর জন্য আর কি কি করা যায় তা সাধারণ সভা থেকে আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেন।এগরা-২ ব্লকে বিডিও অরিজিৎ গোস্বামী ও এগরা দক্ষিণ চক্রের বিদ্যালয় পরিদর্শক শ্রীতমা বিশ্বাস মেলার নির্দিষ্ট দিনে প্রশাসনিক ব্যস্ততায় যেতে না পারায় তাদের স্মারক হাতে দিয়ে সম্মান্বিত করা হয়। এগরা-২ সভাপতি সাহনাজ বেগম মেলা প্রতিনিধি দলকে চা পানে আপ্যায়িত করেন। মেলা প্রশ্নে ব্লকের পঞ্চায়েত গুলির সহযোগিতার খোঁজ খবর নেন। পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ রাজকুমার দুয়ারী মেলার শ্রীবৃধি নিয়ে তার পরামর্শ দেন। এগরা-১ ব্লকে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অমিয় কুমার রাজ, সহ-সভাপতি সত্য চক্রবর্তী এবং বিডিও দুর্গা প্রসাদ ঘোষ মেলা নিয়ে তাদের পরামর্শদেন।ব্লকের আর্থিক সহায়তার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন, পাশাপাশি অঞ্চল গুলির সহযোগিতার খোঁজ খবর নেন।
কমিটির পক্ষে স্মারক তুলে দিয়ে সম্মানিত করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মেলা কমিটির সহ-সভাপতি এগরা- ২ পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি প্রকাশ রায়চৌধুরী, দৈনিক আবেশভূমি, এগরা প্রেসক্লাব ও এগরা মহকুমা বইমেলার সম্পাদক গৌরীশঙ্কর মহাপাত্র,সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা বিভাগের আহ্বায়ক শিক্ষক তপন কুমার মন্ডল, বরিদা পঞ্চায়েত প্রধান সিদ্ধেশ্বর বেরা, শিক্ষক পার্থসারথি নায়ক ,পিন্টু পয়ড়্যা,সজল সাউ, হরিপদ মান্না প্রমূখ।