গৌরীশংকর মহাপাত্র ও রাজকুমার মহাপাত্র,আবেশভূমি ডিজিটাল, মেদিনীপুর পূর্ব পশ্চিম ও ঝাড়গ্ৰাম।চার দিকে যখন ধর্মীয় ভেদাভেদ ও জাত পাতের বিভাজনের ব‍্যস্ততা, সেরকম মুহূর্ত দাঁড়িয়ে সর্ব ধর্মের মানুষজনদের নিয়ে মন্দারমনি সমুদ্র উপকূলে ১৬ তম সার্বজনীন চিস্তিয়া মিলন মেলা। পাঞ্জাব থেকে শিখ কমিউনিটির ড সুফিরাজ জৈন, হরিয়ানার খ্রিস্টান কমিউনিটির ফাদার, মুম্বাই সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন ধর্মের মানুষজন এবং ধর্ম গুরুদের নিয়ে সম্বর্ধনা দেওয়ার পাশাপাশি, আলোচিত হয় সর্বধর্ম সমন্বয়ে মানুষ কিভাবে প্রথম মানব ধর্ম পালন করবে। জাত পাত ও ধর্মীয় ভেদাভেদ ভুলে একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠল।১৬

    বছর আগে এলাকার সর্ব ধর্মের মানুষজনদের নিয়ে চিস্তিয়া মিলন মেলার শুভ উদ্বোধন করেছিলেন- সুধির বাবা। কারণ তিনি তৎকালীন সময়ে বুঝতে পেরেছিলেন জনমানবহীন এই মান্দারমনি একদিন বিশ্ব মানচিত্র স্থান পাবে। তাই তিনি ভবিষ্যতে মানুষের মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিভেদকে দূর করতে এই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।ভারতবর্ষের বর্তমান পরিস্থিতির উপর দাঁড়িয়ে এই ধরনের কর্মসূচির ব্যাপক প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এমনটা জানিয়েছেন এই মিলনমেলার সভাপতি মিন মিত্র মীর মমরেজ আলী ও মেলা কমিটির কর্মকর্তা মীর ইয়ার
      আলী।
      পাশাপাশি দেশের ভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত একাধিক ধর্মের ধর্মগুরুরাও জানিয়েছেন- ভারতবর্ষের প্রতিটি প্রান্তে এই ধরনের মিলনমেলার প্রয়োজনীয়তা

      রয়েছে। যেখান থেকে বার্তা যাবে- জাতি ধর্ম ও জাতপাতের রাজনীতির উর্ধ্বে মানব ধর্ম। এই মুহূর্তে সর্ব ধর্ম সম্মেলনের বেশি বেশি প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।যেখানে সব ধর্মের মানুষকে একত্রিত করে- মনুষ্যত্ব, মানবিকতা, প্রেম ও ভালোবাসার বার্তা দেওয়াই এই মিলন মেলার মূল সুর।

        Share

        Leave a Reply

        Your email address will not be published. Required fields are marked *