গৌরীশংকর মহাপাত্র ও রাজকুমার মহাপাত্র, আবেশভূমি ডিজিটাল, মেদিনীপুর পূর্ব-পশ্চিম ও ঝাঢ়গ্রাম ।এগরা পৌরসভা সংলগ্ন ইরিগেশন বাংলো মাঠে ঋষি বঙ্কিম স্মৃতি কলাভবন অডিটোরিয়াম নির্মাণের দাবিতে ডেপুটেশন দেয় এগরা কৃষ্টি-চক্র, কসবা ইউথ ,এগরা বহ্নিশিখা, ইমন কল্যাণ,এগরা প্রেসক্লাব, মিত্রাক্ষর এগরা স্বয়ংসিদ্ধা ,আশাবরী সংগীত বিদ্যালয় ,স্বরলিপি সংগীত গুরুকুল, এগরা যোগামন্দির,সম্পূর্ণা ক্লাব ,কলা নিকেতন , এগরা সম্প্রীতি, এগরা এলেন ডান্স ইনস্টিটিউট, নবরূপক্লাব প্রভৃতি প্রায় ২১ টি সংগঠনের “যৌথমঞ্চ”ডেপুটেশন দেয়।সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন সংগঠনের নেতত্ব প্রাণাশিস ত্রিপাঠী ,বিজ্ঞান মঞ্চের বনবিহারী, এগরা শহীদ স্মরণ কমিটি তপন মহাপাত্র, সাংস্কৃতিক মঞ্চের মৃন্ময় মিশ্র, এগরা মহকুমা বইমেলার বীরকুমার শী, স্বপ্ননীড়ের কবিতা প্রধান, আশাবরী সঙ্গীত বিদ্যালয়ের আল্পনা পট্টনায়করা।তাঁরা বলেন রাজ্যের ১২৮ টি পৌরসভার মধ্যে কেবল এগরা পৌরসভা ছাড়া আর সমস্ত পৌরসভায় অডিটোরিয়াম রয়েছে। গতকাল ২২ এপ্রিল বেলদা অডিটোরিয়ামের ও উদ্বোধন হল, অথচ ৩৩ বছরের এগরা পৌরসভা সাংস্কৃতিক চর্চা ও সাংস্কৃতিক মানোন্নয়নে অডিটোরিয়ামের দাবি মর্যাদা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।ডেপুটেশন গ্রহণের পর পৌরপ্রধান জানান বিষয়টিতে তিনি উদ্যোগী হয়ে সেচ দপ্তর থেকে এই জায়গাটুকু নিয়ে ছিলেন। সাংসদের এক কোটি টাকার কাজ হলেও তার ফাউন্ডেশন মাটির নীচে থেকে গেছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন এবং অডিটোরিয়ামের জন্য ২০ কোটি টাকা দাবিও করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী ১০ কোটি টাকা দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়ায় তার প্ল্যান এস্টিমেট হচ্ছে। আজ ইঞ্জিনিয়াররা তার প্ল্যান এস্টিমেটের কাজ করেছেন বলে সকলকে আশ্বস্ত করেন।উপস্থিত ছিলেন উপপৌর মাতা সোমা চক্রবর্তী, কাউন্সিলার দেবদুর্লভ মাইতি, ইঞ্জিনিয়ার অতনু খাটুয়াসহ পৌর কর্মচারীগণ। পরে যৌথ মঞ্চের পক্ষে একটি মিছিল শহরপরিক্রমা করে। শেষে কৃষ্টি চক্রের পক্ষে পথ নাটিকা মঞ্চস্থ হয় ।
