
গৌরীশঙ্কর মহাপাত্র ও রাজকুমার মহাপাত্র,আবেশভূমি ডিজিটাল : পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা ১ ব্লকের উদ্যোগে ঋষি বঙ্কিম চন্দ্র পঞ্চায়েত ও জুমকী পঞ্চায়েতের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার জোড়া রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের চাহিদা মেটাতে প্রশাসনের উদ্যোগে একাধিক জায়গায় পঞ্চায়েত, ব্লক, পুলিশ প্রশাসন ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেন। বৃহস্পতিবার দুটি শিবিরে রক্তদাতাদের হাতে পুষ্পস্তবক দিয়ে সম্মানিত করার মধ্য দিয়ে শিবির দুটির উদ্বোধন করেন এগরা ১ পঞ্চায়েত সমিতির বর্ষীয়ান সভাপতি অমিয় রাজ ও ব্লকের বিডিও দূর্গাপ্রসাদ ঘোষ। আর বি সিতে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত প্রধান রৌপ হোসেন, উপ-প্রধান প্রতিভা দাস, প্রাক্তন উপ প্রধান যোগেন্দ্রনাথ মাইতি, পঞ্চায়েতের সঞ্চালক স্বপন প্রামাণিক, পঞ্চায়েত সদস্য সুবল চন্দ ও কাইয়ুম খান, গোপাল বেরা, নিতাই মাইতি, আপতার খান প্রমুখ। শিবিরে ৭২ জন রক্তদান করেন। পাশাপাশি জুমকী শিবিরে ছিলেন প্রধান সত্যেন দাস, উপ প্রধান সঞ্জীব প্রধান সহ ৪ সঞ্চালক, কৃষি ও সেচ ইন্দ্রজিৎ মাইতি, পূর্ত ও জনসংযোগ ভবতোষ পাত্র, শিশু ও নারী কল্যাণ সুস্মিতা পাত্র, শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্যের তনয়া গিরি প্রমুখ।প্রধান জানান শিবিরে ৪২ জন রক্তদিয়েছেন এবং গত ২৭ তারিখ চাটলা শিবিরে ৬৩ জন রক্তদান করেন। আজ দুটি শিবিরে রক্তদান।সংগ্ৰহ করেন এগরা সুপার স্পেশালিটি ব্লাড ব্যাঙ্ক। এই ভাবে রক্তদান শিবিরের ফলে রক্তের চাহিদা কিছুটা হলেও মিটছে। বর্তমান তাপমাত্রা অতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় শিবিরে রক্তদান করতে অনেকেই অনীহা প্রকাশ করছেন। এগরা-১ বিডিও দুর্গাপ্রসাদ ঘোষ জানান জেলা প্রশাসন যে টার্গেট বেঁধে দিয়েছিল সেই লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে যাবে আজকের শেষ দিনের রক্তদানের মধ্য দিয়ে। আজ দুটি পঞ্চায়েতে শিবির হচ্ছে। গতকাল পর্যন্ত ৪৭৭ জন রক্ত দিয়েছিলেন। আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬০০ ।গত বছর আগস্ট মাসে ব্লক স্তরে রক্তদান শিবিরের আয়োজনে ৮টি পঞ্চায়েতের সমস্ত মানুষের অংশগ্রহণে যেমন অসুবিধে ছিল তেমনি রক্ত সংগ্রহেরও সমস্যা ছিল। এবার ব্লকের শিবির ডি-সেন্ট্রালাইজ করে পঞ্চায়েতে পঞ্চায়েতে আয়োজন করায় সুবিধে হয়েছে। মানুষের অংশগ্রহণ ও স্বতঃস্ফূর্ততা প্রশংসারযোগ্য। পঞ্চায়েতের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলির শিবিরের আয়োজন ছিল উল্লেখযোগ্য।পঞ্চায়েতের পক্ষে সকলকে ধন্যবাদ জানান প্রধান রৌফ হোসেন ও সত্যেন দাস।