
গৌরীশঙ্কর মহাপাত্র ও রাজকুমার মহাপাত্র, আবেশভূমি ডিজিটাল :সারা রাজ্যের সঙ্গে পটাশপুর-২ব্লকের মথুরা পঞ্চায়েতের মংরাজ বুথে দীঘা জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ প্যাকেটবিতরণ হয় শনিবার।নাম কীর্তন সহযোগে গ্রাম পরিক্রমা শেষে মংরাজ দক্ষিণ শীতলা মন্দির প্রাঙ্গণে প্রসাদ বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিডিও শঙ্খ ঘটক , পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি স্বপন কুমার মাইতি, মথুরা পঞ্চায়েত প্রধান মৌসুমী রানী দাস প্রধান, প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য ও শিক্ষক রামশঙ্কর মহাপাত্র,এলাকার রেশন ডিলার অরুপ ভূঞ্জ্যা ,সমাজসেবী গোবিন্দ প্রধান,রবীন্দ্রনাথ মৈশাল,শুভাশিস মহাপাত্র, কমলাকান্ত মহাপাত্র, মলয়রঞ্জন দাস প্রমুখ ।গ্রামবাসীরা উৎসবের মেজাজে প্রসাদ প্যাকেট গ্রহণ করেন। বিডিও শঙ্খ ঘটক তার বক্তব্যে জানান আমাদের ব্লকের টার্গেট ২৫ হাজার পরিবার। আজ প্রথম দিনে ৭টি পঞ্চায়েতে ৩২ ডিলারকে দিয়ে ৬৯৫০ প্যাকেট বেনি ফিসারিদের হাতে তুলে দিতে পেরেছি। আগামী ২৩ তারিখ আবার ৭০০০ মানুষের কাছে প্যাকেট পৌঁছে দেওয়া হবে।মোট ৪ দিনে সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েতে পরিবারের হাতে প্রসাদ প্যাকেট পৌঁছে দেওয়া হবে।এদিন এই সংসদের মংরাজ, ছয়ঘরি, পূর্ব দেউলবার গ্রামের পরিবারগুলিকে (খাস্তাগজা, ক্ষীরের প্যাড়া) প্যাকেট সহ দীঘা জগন্নাথ মন্দিরে ছবি দেওয়া হয়। আড়গোয়াল পঞ্চায়েতে অনুরূপ অনুষ্ঠানে বিতরণ পর্বে উপস্থিত ছিলেন প্রধান সেখ মালেক আলী, উপপ্রধান রুমা প্রধান,প্রাক্তন প্রধান অপরেশ সাঁতরা প্রমুখ। সাউথখণ্ড পঞ্চায়েতে প্রধান বিজনবন্ধু বাগ, উপপ্রধান অঞ্জনা বর পঞ্চায়েত সদস্য সদস্যা উপস্থিত ছিলেন। শ্রীরামপুর পঞ্চায়েতে প্রধান পূরবী মাইতি,উপ প্রধান সৈকত নন্দী, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সত্যেশ্বর নন্দী ছিলেন। পটাশপুর,খাড় এবং পঁচেট পঞ্চায়েতেও ডিলার, পঞ্চায়েত ও তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের দায়িত্বে শুষ্ঠু ভাবে বিতরণ হয়।