গৌরীশঙ্কর মহাপাত্র ও রাজকুমার মহাপাত্র, দৈনিক আবেশভূমি :এগরা-২ ব্লকের ঐতিহ্যবাহী সেবাট্রাস্ট বালিঘাই জগন্নাথ জীউ সেবা সমিতির রথযাত্রা উপলক্ষে ১৬দিনের রথের মেলা ও ১৫ দিনের সৌখিন যাত্রা প্রতিযোগিতার আগে বৈকালিক ও সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্তরের মানুষদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপনের আয়োজন করে।সেইমতো ৭ বৃহন্নলা ,৭৫ কৃতি ছাত্র-ছাত্রী ও ৮ গুণীজন সংবর্ধনা, ৪দিব্যাঙ্গকে ট্রাই সাইকেল ,৪ বিভিন্ন সংগঠনকে আর্থিক সহযোগিতার কাজ বিগত সাত দিনে সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার অষ্টম দিনে ছিল মুক ও বধিরদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপন অনুষ্ঠান।স্বাগত ভাষণে শিক্ষক তপন কুমার মন্ডল তার বক্তব্যে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব‍্যাক্তি ও ব‍্যাক্তির পরিবার কি অসহনীয় অবস্থায় দিনাতিপাত করে তা তুলে ধরেন। মোট জন গোষ্ঠীর হয়ত ১ শতাংশ মানুষ এমন হলেও সমাজে এদের অবদান রয়েছে। তাই অবহেলা নয় সমাজের মূল স্রেতে এরা যাতে মাথা উঁচু করে জীবন যাপন করতে পারে তার জন্য সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে আহ্বান জানান। সমস্ত প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে জীবন যুদ্ধে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে তাদের পাশে সেবা সমিতি থাকার আশ্বাস দেন।সোমনাথ জানা ও তমশ্রী জানা এবং অনির্বাণ মাইতি ও শম্পা মাইতি এই দুই মুক ও

    বধির দম্পতির হাতে ব্যাগ,ছাতা, শাল সহ উপহার

      ( মুক ও বধির ভোকেশনালে বালিঘাই  হাইস্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে কৃতি সৌম্যদীপ মন্ডল।)

        (দশম শ্রেণীর ছাত্র অঙ্কন শিল্পী প্রদীপ কুমার প্রধান)সামগ্রীর প্যাকেজ তুলে ৩২ জন বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের সম্বর্ধনা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সংস্থার কর্ণধার একালের দানবীর আশিস ধাওয়া। সভায়

          পৌরহিত‍্য করেন সংস্থার সহ-সভাপতি শংকরনারায়ণ মিশ্র। ছিলেন এগরা প্রেসক্লাব ,এগরা মহকুমা বইমেলা  ও দৈনিক আবেশভূমিপত্রিকার সম্পাদক গৌরীশঙ্কর মহাপাত্র, কমিটির সদস্য শিশির কুমার মাইতি তপন কুমার সামন্ত যুগ্ম সহ সম্পাদক বিরজাকান্ত প্রধান প্রমূখ।
            মঞ্চ সহযোগিতা করেন বৈশাখী প্রধান কাজল প্রধান দৈবকী সামন্ত, মানগোবিন্দ জানা, ধনঞ্জয় সিংহ প্রমুখ।সঞ্চালনায় সংস্থার যুগ্ম সহ-সম্পাদক জন্মেঞ্জয় প্রধান।
              মঙ্গলবার “কাকমারা”দের সম্বর্ধনা ও নিজদণ্ড সুন্দরম যাত্রা সংস্থা সামাজিক পালা “সুন্দরীর ফাঁদে শয়তান কাঁদে” যাত্রা মঞ্চস্থ হবে এমন আগাম সংবাদ দিয়ে
                ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সংস্থা সম্পাদক। রাতে মেদিনীপুর মা সারদা সৌখিন যাত্রা সংস্থার সামাজিক যাত্রাপালা “রক্ত দিয়ে মায়ের পূজা” মঞ্চস্ত হয়।

                Share

                Leave a Reply

                Your email address will not be published. Required fields are marked *