
দৈনিক আবেশভূমি; গৌরীশংকর মহাপাত্র : বাংলা থেকে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে উত্তরপ্রদেশে কাজ করতে গিয়ে শ্রমিক পরিবারের দুজনের পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু তিনজন গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি দু’নম্বর দেশপ্রাণ ব্লকের চালতি গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর সাহা তিনি পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে উত্তরপ্রদেশে রাজমিস্ত্রির কাজে পাড়ি দিয়েছিলেন গত শুক্রবার ভোর পাঁচটা কাঁথি থেকে,
শনিবার ঠিক দুপুর বারোটা নাগাদ ট্রেন থেকে নেমে আত্মীয়র বাড়ির উদ্দেশ্যে অটো চেপে যাওয়ার পথে পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় পরিযায়ী শ্রমীক জাহাঙ্গীরের স্ত্রী ফরিদা বিবি বয়স ৩০,,, ও বড় ছেলে জাহানসিম সাহা বয়স 12,
বাকি তিনজন তারা গুরুতর জখম অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
কাঁথি থেকে জাহাঙ্গীর সাহা সহ পরিবারের পাঁচজন উত্তর প্রদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল,
1- জাহাঙ্গীর সাহা 36 গুরুতর জখম অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
2- ফরিদা বিবি, 30 স্ত্রী, মৃত জাহাঙ্গীর স্ত্রী
3-জাহানসিম সাহা,12, মৃত, জাহাঙ্গীরের বড় ছেলে
4-ফারজান সাহা,7 জাহাঙ্গীরের ছোট ছেলে গুরুতরে যখম অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
5- সাহারিনা খাতুন,15 জাহাঙ্গীরের ভাগ্নি গুরুতর যখন অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
ঘটনাটি ঘটার সঙ্গে সঙ্গে কাঁথি থানায় খবর আসে, কাঁথি থানার পক্ষ থেকে পরিবারের কাছে খবর যায় খবর পাওয়ার পর থেকেই পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়ে এবং খবর শুনে প্রতিবেশী ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের বহু মানুষ ভিড় জমায় জাহাঙ্গীরের বাড়িতে।,
তবে জাহাঙ্গীরের মা প্রতিবন্ধী, জাহাঙ্গীরের বাবা মানসিক ভারসাম্যহীন, পরিবারের রোজগার বলতেই জাহাঙ্গীর ও জাহাঙ্গীরের স্ত্রীর উপর নির্ভরশীল,
এমত অবস্থায় পরিচয় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে গিয়ে দুজনের প্রাণ হারানোর ঘটনা শুনে আত্মীয়-স্বজন থেকে প্রতিবেশী একপ্রকার বাকরুদ্ধ।
এমত অবস্থায় দুটি দেহ এবং জাহাঙ্গীর সহ তার সন্তান এক ভাগ্নীকে বাংলায় ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে শাসকদলের নেতাকর্মীরা পাশে থেকে সহযোগিতা করছেন বলে সিএনকে একান্ত সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।
মৃত পরিবারের পাশে থাকবেন এবং তাকে সমস্ত রকম সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূলের নেতৃত্বরা।
