
গৌরীশঙ্কর মহাপাত্র ও রাজকুমার মহাপাত্র, দৈনিক আবেশভূমি ২৭ আগষ্ট:পুরানে পাওয়া যায় মা দুর্গা মর্তে আসেন সপরিবারে পুত্রকন্যা নিয়ে ।শরৎকালে মাঠ ভর্তি ধান সুজলা সুফলা শষ্য শ্যামলা পৃথিবীর মাঝে পুণ্য শুক্লপক্ষের ষষ্ঠীর দিনে পূজিত হন সপ্তমী, অষ্টমী, নবমীতে আর দশমী তিথিতে দশহরায় কোথাও পান্তা ভাত মিষ্টান্ন ,কোথাও পায়েস, খিচুড়ি সহযোগে মাকে নিবেদন করা হয় ।সন্ধ্যায় মায়েরা মাকে পান মিষ্টি খাইয়ে চোখের জলে বিদায় দেন। মায়ের বোধন ষষ্ঠীর এক মাস পূর্বে শুক্লপক্ষের চতুর্থ যা গনেশ চতুর্থী নামে খ্যাত। বিশাল ভারত ভূমের স্থান অনুযায়ী নানাভাবে নানাদের দেবদেবীর আরাধনা করা হয়। দক্ষিণ ভারতে গণেশ পূজোর ব্যাপক বিস্তৃতি ও আধিপত্য নিয়ে জাঁকজমক পূর্ণ পূজিত হয়ে আসছেন। চোখ ধাঁধানো মণ্ডপ সজ্জা, আতসবাজি পর্যাপ্ত খাওয়া দাওয়া, লক্ষ লক্ষ লোকের ধ্বনি ও উৎসবে উৎসবকে জীবন্ত করে তোলে। মানুষ জন গণপতি বাপ্পা ধ্বনিতে আকাশ বাতাস মুখরিত করে তোলে। কোন ধ্বনি উৎসবের আঁচ এক জায়গায় সীমিত থাকে না, তা সৌরভের ন্যায় স্থান থেকে স্থানান্তরে ছড়িয়ে পড়ে। সুদূর দক্ষিণ ভারত থেকে পূর্ব ভারতের এগরা-২ ব্লকের সর্বোদয় পঞ্চায়েতের বেতারহাটে গণপতি বাপ্পা গুটি গুটি পায়ে এসে হাজির। তাঁকে আরাধনায় বেতা হাটের যুবক বৃন্দ সুন্দরভাবে সুচারু মঞ্চে মনোলোভা মূর্তি, তৃপ্তিপদ ভোগ নৈবেদ্য ধূপধুন সহকারে পূজার্চনা করছে প্রায় ৭ ৮ শত মানুষের প্রসাদের ব্যবস্থা রয়েছে। সব মিলিয়ে এক দৃষ্টিনন্দন মনোরম গণেশ চতুর্থী উৎসব মুখর হয়ে উঠেছে।
