
দৈনিক আবেশভূমি; গৌরীশঙ্কর মহাপাত্র: পটাশপুর : বাংলার দুর্গাপুজোর ইতিহাস শুধু উৎসব নয়, গ্রামীণ সমাজের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য আর আবেগের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছু পাল্টে গেলেও কিছু পুজো এখনও টিকে আছে প্রাচীন নিয়ম-নীতি মেনে। ঠিক তেমনই প্রায় তিন শতক আগে শুরু হওয়া এক জমিদারবাড়ির দুর্গাপুজো আজও সমানভাবে শ্রদ্ধা ও ভক্তির সঙ্গে পালিত হয়। পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের বাল্যগোবিন্দপুর গ্রামের রায়চৌধুরী বাড়িতে আজও দুর্গোৎসব শুরু হয় এক সপ্তাহ আগে ঘট উত্তোলনের মধ্য দিয়ে। একসময় এই পুজো ছিল গ্রামবাসীর একমাত্র দুর্গাপুজো, তাই মহা ধুমধামে পালিত হত। যদিও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জৌলুস কিছুটা ফিকে হয়েছে, তবুও পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় মানুষদের মধ্যে এই পুজো ঘিরে এখনও বজায় রয়েছে আবেগ ও ঐতিহ্যের বন্ধন।

রায়চৌধুরী বাড়ির দুর্গাপুজো প্রায় ৩০০ বছর আগে রায়চৌধুরী পরিবারের তৎকালীন জমিদাররা এই পুজো শুরু করেন। সেই সময় এলাকায় অন্য কোথাও দুর্গাপুজোর প্রচলন ছিল না। গ্রামবাসীদের ভক্তি ও আনন্দের কথা মাথায় রেখেই জমিদারবাড়ির কর্তারা দুর্গাপুজোর সূচনা করেন। আগে এক মাস আগে থেকেই ঘট উত্তোলন ও চণ্ডীপাঠের মধ্যে দিয়ে পুজো শুরু হয়ে যেত। সেবায়তদের পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া হত চাষ করার জন্য জমি।
রায়চৌধুরী বাড়ির দুর্গাপুজো প্রায় ৩০০ বছর আগে রায়চৌধুরী পরিবারের তৎকালীন জমিদাররা এই পুজো শুরু করেন। সেই সময় এলাকায় অন্য কোথাও দুর্গাপুজোর প্রচলন ছিল না। গ্রামবাসীদের ভক্তি ও আনন্দের কথা মাথায় রেখেই জমিদারবাড়ির কর্তারা দুর্গাপুজোর সূচনা করেন। আগে এক মাস আগে থেকেই ঘট উত্তোলন ও চণ্ডীপাঠের মধ্যে দিয়ে পুজো শুরু হয়ে যেত। সেবায়তদের পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া হত চাষ করার জন্য জমি।

সময়ের স্রোতে অনেক কিছুই বদলে গেছে। আজ আর এক মাস আগে থেকে আয়োজন শুরু হয় না, মাত্র এক সপ্তাহ আগে ঘট উত্তোলন ও চণ্ডীপাঠের মাধ্যমে পুজো শুরু হয়। জমির পরিবর্তে এখন সেবায়েতদের অর্থ প্রদান করা হয়। পরিবারের সদস্যরা কর্মসূত্রে বাইরে থাকলেও দুর্গোৎসবের ক’টা দিন সকলে একসঙ্গে বাড়ি ফিরে আসেন। স্থানীয় মানুষও সমান আগ্রহ নিয়ে অংশ নেন এই পুজোতে।
