
রাজকুমার মহাপাত্র,আবেশভূমি,২৩ নভেম্বর: বর্ণময় অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ বর্ষ এগরা মহকুমা বইমেলার সমাপ্তি ঘটে রবিবার। কয়েকদিনের বিক্রির রেকর্ড ছাপিয়ে যায়।সকালে সৃজনশীল সাহিত্য সম্মেলনে অবিভক্ত জেলার ৮০ জন আমন্ত্রিত কবি অংশগ্রহণ করেন। পৌরহিত্য করেন কবি সুরকার হেমন্ত মাইতি।ছিলেন পালপাড়া কলেজের বাংলা বিভাগীয় প্রধান মেলার সহ-সম্পাদক অধ্যাপক ড.মৃণাল কান্তি দাস,মেলা কমিটির কার্যকরী সভাপতি বীর কুমার শী,উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করেন মেলা কমিটির অন্যতম কর্মকর্তা সুমন কল্যাণ প্রধান। স্বাগত ভাষণ মেলা কমিটির সম্পাদক তথা প্রেস ক্লাবের সম্পাদক। সৃজনশীল সাহিত্য সম্মেলনে অজিত জানা, দেবাশীষ প্রধান,দেবাশীষ গোস্বামী, ত্রিদিব রায়,অধ্যাপিকা সুমিতা গিরি, পিউলী নন্দ,দীপক হোতা , বিকাশ চন্দ,জয়ন্তী মাইতি , সুমিথ দাস, সর্বাণী ঘড়াই প্রমূখ। এই পর্বে কবি হিসেবে বিশেষ অবদানের জন্য সর্বাণী ঘড়াই কে উত্তরীয় ব্যাচ পুষ্পস্তবক ও মানপত্র তুলে দিয়ে সংবর্ধিত করা হয় মানপত্র পাঠ করেন আজীবন সদস্য পঙ্কজ বাগ। সঞ্চালনায় কিশোর নাগ, ঈপ্সিতা মাইতি ,মহুয়া মাইতি । মঞ্চ সহযোগিতায় মিঠু সিং, ছন্দা মহাপাত্র, কবিতা প্রধান,অধ্যাপক স্বপন মিশ্র।মহকুমার ব্লক ভিত্তিক প্রতিযোগিতার বিচারক ও কো অর্ডিনেটরদের সম্মাননা জ্ঞাপন শেষে পুরস্কার বিতরণী হয়। পটাশপুর-১ ও ২,এগরা-২ ও ১,মহকুমা স্তরের পুরস্কার শেষে পৌরসভার পুরস্কার বিতরণী হয়।এই পর্বে পৌরহিত্য করেন পটাশপুর -২ জেলা পরিষদ সদস্য সমবায়ী গোলকেশ নন্দ গোস্বামী। প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন মেলার মুখ্য পরামর্শদাতা বিধায়ক তরুণ কুমার মাইতি। ছিলেন এগরা -২পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি প্রকাশ রায়চৌধুরী,মেলা কমিটির অন্যতম কর্মকর্তা সুকুমার রায় ,আজীবন সদস্য অমল রঞ্জন রায়,এগরা ২ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ রাজকুমার দুয়ারী, প্রাক্তন কর্মাধ্যক্ষ শ্রাবন্তী দাস।মেলার সহ সম্পাদক মানস কুমার মাইতি ,প্রতিযোগিতা বিভাগের কনভেনার পার্থসারথী নায়ক, কোঅর্ডিনেটর উৎপল বিকাশ দাস, রাজকুমার মহাপাত্র, তরুণ মন্ডল প্রমূখ। স্বাগত ভাষণ দেন মেলা ও এগরা প্রেসক্লাবের সম্পাদক গৌরীশংকর মহাপাত্র।বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় সফল ৩০০ জনের হাতে পুরস্কার ও সার্টিফিকেট ও মিষ্টি প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়।বিধায়ক তরুণ কুমার মাইতি মেলার প্রাসঙ্গিকতা তুলে মোবাইল থেকে ছাত্রছাত্রীদের সরিয়ে আনতে অভিভাবক দের মোবাইলের পরিবর্তে ছেলে মেয়েদের হাতে বই তুলে দেওয়ার পরামর্শ দেন । আগামী দিনে গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে এই প্রতিযোগিতায় সফলদের তুলে আনতে ব্যক্তিগত স্তর ও পঞ্চায়েত সমিতি পক্ষে সর্বোত সহযোগিতাআশ্বাস দেন এগরা-২ পঞ্চাশ সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ রাজকুমার দুয়ারী। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় সহ-সম্পাদক তপন কুমার মন্ডল। আজীবন সদস্যদের নিয়ে সম্পাদক মেলার ভূমিদাতা স পারুল মাইতি, দিব্যজ্যোতি মাইতি ও বিশ্বজ্যোতি মাইতিদের ,শীতলা প্রাথমিক ও স্বর্ণময়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ওয়ার্ড কমিটির সভাপতিদের,ঝাটু লাল হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ ,এগর থানা, মহকুমা শাসক, পৌরসভা ওৎপৌর প্রধান ,মঞ্চদাতা সুকুমার খাটুয়া, বালিঘাই জগন্নাথজীউ সেবা সমিতি ও তার কর্ণধার এ কালের দানবীর আশীষ ধাওয়া,নোডাল ব্লক পটাশপুর-২ কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন মেলা কমিটির সম্পাদক গৌরীশংকর মহাপাত্র। আগামী দিনের সবার সহযোগিতা পেলে এগরা -২ কর্মাধ্যক্ষের প্রস্তাব মেনে পঞ্চায়েত থেকে এই প্রতিযোগিতা সংগঠিত করা সম্ভব হবে জানিয়ে মেলার সমাপ্তি ঘোষনা করেন কার্যকরী সভাপতি বীর কুমার শী। শেষে কোষাধ্যক্ষ আশিস দাস,কবিতা প্রধান ও সুকুমার প্রধান, কানাই মাইতি ও সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মঞ্চস্ত হয়।