
গৌরীশংকর মহাপাত্র ও রাজকুমার মহাপাত্র, দৈনিক আবেশভূমি,২৮ নভেম্বর:দুয়ারে সরকার, পাড়ায় সমাধানের পর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিনব উদ্যোগে মেহনতি মানুষের দুয়ারে স্বাস্থ্যপরিষেবা পৌঁছে দিতে রাজ্য জুড়ে ভ্রাম্যমান স্বাস্থ্য পরিষেবা গলি থেকে রাজপথ সর্বত্র। উত্তর কন্যায় আনুষ্ঠানিক ২১০টি ভ্রাম্যমান চিকিৎসা যানের উদ্বোধনের পর প্রতিটি বিধানসভায় এই পরিষেবা শুরু হয়েছে। বিগত কয়েক দিন ধরে এগরা বিধানসভা দুটি ব্লকএলাকায় এই পরিষেবা চললেও শুক্রবার এগরা-২ব্লকের পানিপারুল পঞ্চায়েতের উদ্যোগে পানিপারুল মুক্তেশ্বর হাইস্কুলে ফিতা কেটে এই পরিষেবার উদ্বোধন করেন বিধায়ক তরুণ কুমার মাইতি। উদ্বোধক তার বক্তব্যে এই ভ্রাম্যমান স্বাস্থ্য যান যে পূর্ণাঙ্গ ওয়ান বেডের হসপাতাল , সমস্ত আধুনিক পরিষেবা যুক্ত, বিভিন্ন ধরনের টেস্টের পর প্রয়োজনীয় কিছু ঔষধ বিনামূল্যে দেওয়া হবে, প্রয়োজনীয় টেলিপ্যাথি পরিষেবার ও সুযোগ পাওয়ার কথা বলে গ্রামীণ মানুষের স্বাস্থ্যপরিষেবার এমন উদ্যোগের প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।এদিন প্রায় ১০০ জন রোগীর পরিষেবা দেওয়া হয়। সভায় পৌরহিত্য করেন পঞ্চায়েত সমিতির জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ অনুরাধা রাজ।স্বাগত জানান পানিপারুল পঞ্চায়েত প্রধান রঞ্জিতা প্রধান। বিএমএ ইচ ডা অনুমিতা দাস তাঁর বক্তব্যে কিভাবে কি কি পরিষেবা সহজ লভ্য তার উল্লেখ করেন।এই পরিষেবা প্রতিষ্ঠিত হাসপাতাল গুলির তুলনায় যে কোন অংশে কম নয়, চিকিৎসক গণও সুপার স্পেশালিটি ও হাসপাতালের দক্ষ চিকিৎসক তা উল্লেখ করেন।পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি সমবায়ী দীনেশ প্রধান কংগ্রেস, বাম জমানাসহ আজতক পানিপারুল হাসপাতাল স্থাপন প্রসঙ্গ তুলে স্বাস্থ্য পরিষেবা পানিপারুল কখন কিভাবে সমৃদ্ধ ও অবহেলিত তার তুলনামূলক আলোচনায় সকলকে সমৃদ্ধ করেন।উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি আরতি মুন্ডা ,স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা সাবিনা ইয়াসমিন, খাদ্য কর্মাধ্যক্ষা চুমকী কুন্ডু, সমাজসেবী বাবুল সাহা, চন্দন দাস, বিদ্যালয়ের পরিচালন কমিটির সভাপতি রজত কুমার বেরা প্রমুখ।সঞ্চালনায় প্রবীণ সংগঠক নিশিকান্ত জানা।