
গৌরীশংকর মহাপাত্র, দৈনিক আবেশভূমি,২৫ ডিসেম্বর:যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮তম বার্ষিক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করে জেলার মুখ উজ্জ্বল করল কাঁথি শহরের দারুয়ার কৃতি ছাত্র আরিফ হোসেন। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্ত মঞ্চে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে এম-টেকে ফাস্টক্লাস ফাস্ট হয়ে পদক ও শংসাপত্র গ্রহণ করে । প্রসঙ্গত এর আগে ২০১৮ সালে আরিফ এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই স্নাতক স্তরের পড়াশোনা প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছিল। আরিফের এই ধারাবাহিক সাফল্যে খুশির জোয়ার জেলায় ও তাঁর শহর কাঁথি, পরিবার এবং দারুয়া এলাকার প্রতিবেশীদের মধ্যে। আগামী দিনে সে গবেষণার কাজে মনোনিবেশ করে পিএইচডি করবে এমন লক্ষ্যের কথা জানায় অরিফ ও তার পরিবার।দীর্ঘ দুই বছরের টানাপোড়েন ও জটিলতা কাটিয়ে এ বছরের সমাবর্তন অনুষ্ঠানটি ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সি ভি আনন্দ বোস ২০২৩ ও ২০২৪ সালের দীর্ঘ বিরতির পর এ দিন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। স্থায়ী উপাচার্য অধ্যাপক চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যের নিয়োগের পর সমাবর্তনের ‘বৈধতা’ নিয়ে যাবতীয় সংশয় কাটিয়ে আচার্য এই অনুষ্ঠানকে পূর্ণ স্বীকৃতি দেন। এ বারের অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌরকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাধি প্রদান।বিশ্বজয়ী এই অধিনায়ককে ক্রীড়াক্ষেত্রে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে এই বিশেষ সম্মানা জ্ঞাপন।এ বছরের সমাবর্তনে রেকর্ড সংখ্যক শিক্ষার্থী ডিগ্রি লাভকরেছেন, যার মধ্যে ২,৪৪৭ জন স্নাতক, ১,৬৬৯ জন স্নাতকোত্তর এবং ৩৭৩ জন পিএইচডি প্রাপক রয়েছেন।ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের জন্য বরাদ্দ এই প্রতিটি পুরস্কারের অর্থমূল্য ২৫,০০০ টাকা। সব মিলিয়ে মেধার লড়াইয়ে কাঁথির ছেলের এই পদক জয় গৌরবের।
