
গৌরীশঙ্কর মহাপাত্র ও রাজকুমার মহাপাত্র, দৈনিক আবেশভূমি, ৪ জানুয়ারী: পটাশপুর-২ ব্লকের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাসাগর গ্ৰামীণ মেলার উদ্বোধন হয় শনিবার।বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায বিদ্যাসাগরের মর্মর মূর্তিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন, ফিতাকেটে মেলার দ্বারোদঘাটন, পতাকা উত্তোলনের পর মঙ্গল দ্বীপজ্বেলে ১০ দিনের এই ৩১তম বর্ষের প্রতাপদীঘিগ্রামীণ মেলার উদ্বোধন করেন
আসানসোল রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন আশ্রমের মহারাজ নন্দিশানন্দ জি। শনিবার এই মেলা মঞ্চে স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন বিশ্বভারতী কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতনের গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড অমর প্রসাদ মিশ্র ও বিডিও শঙ্খ ঘটক, সহযোগিতা করেন স্মরণিকা সম্পাদ ক উৎপল বিকাশ দাস। উপস্থিত ছিলেন পটাশপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি স্বপন কুমার মাইতি , পটাশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি সুরজ আস,পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সদস্যা প্রণতি আচার্য দাস, শ্রীরামপুর পঞ্চায়েত প্রধান পূরবী মাইতি,পঞ্চায়েত সমিতির স্বাস্থ্য কর্মধ্যক্ষ দুর্গাপদ পাহাড়ি, কর্মাধ্যক্ষা জবা গিরি প্রমুখ। সভায় পৌরহিত্য করেন মেলা কমিটির সভাপতি ডা সুধাময় মহান্তি। উদ্বোধক তার বক্তব্যে সমাজ ও চরিত্র গঠনে উপস্থিত ছাত্র, যুব ,আবাল বৃদ্ধ ,বণিকাকে স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শকে সামনে রেখে পথ চলার আহ্বান জানান। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন এই গ্রামীণ মেলা এলাকার কৃষ্টি ও সংস্কৃতির ঐতিহ্য বহন করে। মেলা ঘিরে প্রত্যহ সংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও সেবা কর্মসূচি নেওয়ায় মেলা কমিটিকে তিনি ধন্যবাদ জানান।স্বাগত ভাষণে মেলার ৩০ বৎসরের গৌরমময় অতীত স্মৃতি চারণ করে ব্লক জুড়ে সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েতের কেন্দ্র বিন্দুতে এই মেলার প্রাসঙ্গিকতা তুলে সকলকে সমৃদ্ধ করেন মেলার কার্যকরী সভাপতি তথা পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সদস্য সমবায়ী গোলকেশ নন্দগোস্বামী।সঞ্চালনায় বাচিক শিল্পী অসীমেষ নন্দ গোস্বামী ও আলোকেশ নন্দ গোস্বামী।দশদিনের এই মেলার সমাপ্তি ঘটবে ১২ই জানুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে তাকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন এর মধ্য দিয়ে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন মেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা ভোলানাথ দাস ও সভাপতি ডা সুধাময় মহান্তি।
