
গৌরীশঙ্কর মহাপাত্র ও রাজকুমার মহাপাত্র, দৈনিক আবেশভূমি,৫জানুয়ারী: এগরা স্কুল খেলার মাঠে এগরা সংস্কৃতি মঞ্চ আয়োজিত ৪০ তম এগরা গ্ৰামীণ মেলার তৃতীয় দিন সোমবার এগরা শহীদ স্মরণ কমিটির উদ্যোগে“স্বাধীনতা সংগ্রামে এগরা থানা -সক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত,”শিরোনামে পুস্তিকার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় সোমবার।উদ্বোধন করেন এই প্রকাশনার মুখ্য উদ্যোক্তা
এগরা শহীদ স্মরণ কমিটি ও এগরা মেলার স্থায়ী সভাপতি, রাজ্যের প্রাক্তন পরিষদীয় মন্ত্রী অধ্যাপক প্রবোধচন্দ্র সিনহা। উদ্বোধক তাঁর বক্তব্যে জানান ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের দীর্ঘ ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য অবদান পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে মেদিনীপুরের। জেলার এই অবদানে এগরা, পটাশপুর, ভগবানপুর, খেজুরি, কাঁথি, রামনগর থানার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অবদানের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এগরা থানার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অবদান যাতে আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা যায় সেই লক্ষ্যে এই গ্রন্থ প্রকাশনার উদ্যোগ। এগরার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নিয়ে এর আগে ভবানীচকের একজন, এগরার স্বাধীনতা সংগ্রামী নগেন্দ্রনাথ মাইতি ও তার ছেলে প্রাক্তন শিক্ষক শৈলেন্দ্র নাথ মাইতি, বাথুয়াড়ী হাইস্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক হরিশচন্দ্র দাস বই প্রকাশ করেছেন। এটি ছোট আকারের হলেও প্রতিটি বাড়িতে রেখে এগরা বাসি হিসেবে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে আমাদের ত্যাগের ইতিহাস জেনে পরবর্তী প্রজন্ম যাতে সমৃদ্ধ হতে তার চেষ্টা করুন।বইটি সংগ্রহ করার জন্য উদ্বোধক উপস্থিত সকলকে আহ্বান জানান।ছিলেন এই গ্ৰন্থের লেখক আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক ও বহু গ্রন্থ প্রণেতা প্রাক্তন শিক্ষক শান্তিপদ নন্দ। প্রাক্তন শিক্ষক শৈলেন্দ্রনাথ মাইতি, এগরা মেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মৃন্ময় মিশ্র ও স্বপন পয়ড়্যা ,এগরা শহীদ স্মরণ কমিটির সদস্য হরেন্দ্রনাথ মাইতি, এগরা ঝাটুলাল হাইস্কুল পরিচালন কমিটির অন্যতম সদস্য পঙ্কজ বাগ, সমাজসেবী তপন দে প্রমুখ।স্বাগত ভাষণে এগরা শহীদ স্মরণ কমিটির সহ-সভাপতি সুকুমার রায় শহীদ স্মরণ কমিটির অতীত ইতিহাস তুলেউপস্থিত সকলকে সমৃদ্ধ করেন। সঞ্চালনায় শহীদ স্মরণ কমিটির অন্যতম কর্মকর্তা প্রকাশ কুসুম দাশ। সভায় পৌরহিত্য করেন প্রাক্তন শিক্ষক ক্ষিতীন্দ্রমোহন সাহু।ধিম্ সং পরিবেশন করেন কবি সুরকার হেমন্ত মাইতি। উদ্বোধন পূর্বে বিভিন্ন দেশে নৃত্য প্রতিযোগিতায় কৃতি নৃত্য শিল্পী নীলাঞ্জনা সাউ নৃত্য পরিবেশন করেন।মঞ্চে অতিথি বরণে মেলা কমিটির অন্যতম বনবিহারী পাত্র ও নবেন্দু নায়ক। শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন শহীদ স্মরণ কমিটির সম্পাদক প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক কিশোর কুমার বসু।
