দৈনিক আবেশভূমি ডেক্স :এগরা :পূর্ব মেদিনীপুর :বাংলার অাবাস যোজনা/প্রধানমন্ত্রী অাবাস যোজনায় পূর্বমেদিনীপুর জেলার উল্লেখযোগ্য সংখ্যার উপভোক্তাদের সরকারী অর্থপ্রাপ্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।উপভোক্তাদের বাস্তুজমির রেকর্ড জমা দিতে হচ্ছে।

    জলজমিকে বাস্তুতে রূপান্তরিত করার জন্য প্রতি ডেসিমাল পিছু সরকারী দেয় ১৯৬০ টাকা হলেও বিভিন্ন ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে অসাধুচক্রের প্রভাবে ৩০০০-৪০০০টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে।টাকা যোগাড় করতে গিয়ে গরীব মানুষেরা সর্বশান্ত হচ্ছেন।কনভারসন না হলে টাকা ফেরত চলে যাবে।কবে কনভারসন সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে তার ও কোন নিশ্চয়তা নেই।পাট্টাদাররা অাবাস যোজনার তালিকা থেকে বাদ পড়ছেন। সেই জায়গা রূপান্তরের ও কোন বিধানই নেই। জমি এক ডেসিমাল হলে অাবাস যোজনার সুযোগ পাওয়া যাবে না।তাছাড়া উত্তরাধিকার শংসাপত্র ও মিউটেশন করাও দুস্কর ও ব্যয়বহুল।

      কাটমানি দিয়ে কাটখড় পুড়িয়ে তালিকাভুক্ত হয়েও স্বম্তি নেই।দেশপ্রাণ ব্লকের সরদা পঞ্চায়েতের এন্তাজ অালি খাঁ,মন্তাজ অালি খাঁ,কোরবান খাঁ প্রমুখকে ডেসিমাল পিছু কনভারসনের জন্য ৩০০০ টাকা খরচ করতে হয়েছে।শ্যামচরণ দিন্ডার বাস্তুজমি ভূমিসংস্কার দপ্তরের ভুলে জলজমি হয়েছে।তাঁকেও অতিরিক্ত খরচ করতে হয়েছে।দুরমুঠের ৯৩ বছরের বৃদ্ধ শয্যাসায়ী সেখ মফিলকেও এক ডেসিমেল বাস্তু থাকার জন্য অাবাস যোজনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।ভূমিসংস্কার দপ্তরের অসাধুচক্রের রোধ ও অাবাসযোজনার নিয়মনীতি শিথিল করে উপভোক্তাদের অাবাস যোজনায় অর্থবরাদ্দের অাবেদন জানিয়ে জেলাশাসককে ই- মেল পাঠিয়েছেন

      প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন।তিনি বলেন এইসব গুরুতর সমস্যার সমাধান না হলে অনেকেই অাবাস যোজনা থেকে বঞ্চিত হবেন।

      Share

      Leave a Reply

      Your email address will not be published. Required fields are marked *