
গৌরীশংকর মহাপাত্র:এগরা কাঁথি:পূর্ব মেদিনীপুর:৬৬ তম নিখিল ভারত সমবায় সপ্তাহের শেষ দিনে এগরা দল অঁলুয়া সমবায়ে কৃষাণ ক্রেডিট কার্ড, বিদ্যাসাগরের জন্মের দ্বিশতবর্ষ ও গান্ধীজয়ন্তীর সার্ধশত নিয়ে আলোচনা হয়। সমবায় নিয়ে গরীব ও গ্ৰামীণ মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে এই দুই প্রবাদ প্রতীম মহাপুরুষদের উদার দৃষ্টিভঙ্গী আলোচনায় উঠে আসে।

নিখিল ভারত সমবায় সপ্তাহের পূর্ব মেদিনীপুর-২রেঞ্জ কন্টাই কো -অপারেটিভ ইউনিয়নের মূল থিম “নতুন ভারতে সমবায়ের ভূমিকা,”কে সামনে রেখে এদিনের নিদ্ধারিত “সমবায়ের মাধ্যমে আর্থিক সংযুক্তি, প্রযুক্তি গ্ৰহন এবং ডিজিটালাইজেশন”,আলোচনায় চর্চিত হয়। সমবায় নিয়ে চিন্তা ভাবনা বর্তমান ভারতে অনেকটাই উপেক্ষিত। বিপন্ন ও দুর্বল শ্রেণীর কল্যাণে বিদ্যাসাগরের ভাবনা বাস্তবায়নের কথা মাথায় রেখেই তার স্মৃতিত নামাঙ্কিত বিদ্যাসাগর বাঙ্ক, সেই বাঙ্ক নিয়ন্ত্রিত অঁলুয়া সমিতিতে কৃষাণ ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে কৃষক শ্রমিক প্রান্তিক মানুষের কি কি উপকার হয় তা আলোচিত হয়। সমবায়ের সাতরাঙ্গা পতাকা উত্তোলন করে সকালে এদিনের অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কাঁথি কো অপারেটিভ ইউ নিয়নের সভাপতি তথা এগরা -২পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দীনেশ প্রধান। ছিলেন বিদ্যাসাগর কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাঙ্কের ডেপুটি ম্যানাজার, রাধাশ্যাম সামন্তসহ সমিতির কর্মকর্তাগণ।

বৈকালিক আলোচনায় দুই অধ্যাপক অমলেন্দু বিকাশ জানা ও ড:মৃণাল কান্তি দাস, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক সেখ আব্দুল রহিম, শিক্ষারত্ন প্রধান শিক্ষক বীরকুমার শী, দীঘা দ্বিজেন্দ্র লাল জগবন্ধু হাইস্কুলের শিক্ষক নন্দ দুলাল পাত্র প্রমুখ। সভায় পৌরোহিত্য করেন প্রবীণ সমবায়ী কানন বিহারী নায়ক।
